প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে আজ টাইগারদের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান

0
480
bangladesh vs pakisthan

১ জুন থেকে ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মহারণ। এর আগে ত্রিদেশীয় সিরিজের সর্বশেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাসী টিম টাইগার। প্রস্তুতিটা আরেকটু ঝালিয়ে নিতে আজ প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে মাশরাফি বাহিনী।  বার্মিংহামের এজবাস্টন মাঠে বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৩টায় খেলা শুরু হবে। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে ৩০ মে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতের মুখোমুখি হবে টিম টাইগার।

বড় আসরে পা রাখার আগে ত্রিদেশীয় সিরিজে ভালো মতোই প্রস্তুতি সারে বাংলাদেশ দল। আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসটা তুঙ্গে টাইগারদের। ২৭১ রানের টার্গেটে ৫ উইকেটের জয় নিয়ে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে সরিয়ে ৬ষ্ঠ স্থানে উঠে আসে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে দেশের বাইরে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পেল বাংলাদেশ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও বাংলাদেশের সঙ্গে একই গ্রুপে খেলবে কিউইরা।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে ইংলিশ কন্ডিশনের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে সাসেক্সে ১০ দিনের ক্যাম্প করে বাংলাদেশ দল। এরপর আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ  খেলে মাশরাফিরা। তবে ইংল্যান্ডের কন্ডিশনটা আয়ারল্যান্ডের চেয়ে ভিন্ন হবে বলে প্রস্তুতি ম্যাচ দুটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। মাশরাফি বলেন, ‘প্রস্তুতি ম্যাচ দুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আয়ারল্যান্ডের চেয়ে ইংল্যান্ডের উইকেট পুরোপুরি ভিন্ন। তবে ভারত ও পাকিস্তানের মতো দলের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে আমরা একটা ধারণা পাব। তাই প্রস্তুতি ম্যাচ দুটিও আমাদের জন্য বড় ম্যাচ। ‘

ত্রিদেশীয় সিরিজে খেললেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বাংলাদেশ দলে নেই নাসির হোসেন, নুরুল হাসান সোহান ও শুভাশিষ রায়। ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষে দেশে ফিরে আসেন অলরাউন্ডার নাসির হোসেন ও পেসার শুভাশিষ। তবে বিকল্প উইকেটরক্ষক হিসেবে দলের সঙ্গে রেখে দেয়া হয়েছে নুরুল হাসান সোহানকে।

ওয়ানডেতে পরস্পর ৩৫ সাক্ষাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩১ হারের বিপরীতে ৪ বার জয় দেখেছে বাংলাদেশ। তবে সর্বশেষ পরিসংখ্যানটা টাইগারদের জন্য প্রেরণাদায়ক। ২০১৫ সালে সর্বশেষ দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডোবায় বাংলাদেশ। ওই সিরিজে ৪টি সেঞ্চুরি আসে। প্রথম ২ ওয়ানডেতে টানা ২ সেঞ্চুরি (১৩২ ও ১১৬)  হাঁকান দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। প্রথম ওয়ানডেতে মুশফিক ১০৫ ও শেষ ম্যাচে ১২৭ রানের ইনিংস খেলেন বাংলাদেশের অপর ওপেনার সৌম্য সরকার। সদ্য ত্রিদেশীয় সিরিজে টানা ২ ম্যাচে ফিফটি হাঁকিয়ে আইসিসির ওয়ানডে ব্যাটসম্যান র‌্যাংকিংয়ে ক্যারিয়ার সেরা ২৭তম স্থানে উঠে এসেছেন সৌম্য।

LEAVE A REPLY