রানের পাহাড় গড়ে ইনিংস ঘোষণা ভারতের

0
655
bangladesh-cric-tes

একে তো রানের পাহাড়, তার ওপর ম্যাচের আরও ৩ দিনের বেশি বাকি। বাকিটা যেন বিরাট কোহলি ছেড়ে দিলেন বোলারদের ওপর। তবে ম্যাচে ফিরতে হলে মুশফিক বাহিনীকে অসাধারণ কিছু করে দেখাতে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মুরালি বিজয় আর বিরাট কোহলির জোড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে ৩ উইকেটে ৩৫৬ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করে ভারত। দ্বিতীয় দিনে প্রায় দ্বিগুণ হয় সেই রানসংখ্যা। এই রান বন্যায় বাংলাদেশি ফিল্ডারদের অবদানের কথা না বললেই নয়। প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও চলেছে ক্যাচ মিসের মহড়া। ক্যাচ ছেড়েছেন সাব্বির, তামিমরা। সহজ একটি স্টাম্পিং মিস করেন অধিনায়ক মুশফিক। এই হতাশাগুলো না থাকলে বাংলাদেশ হয়ত ভারতের রাশ টেনে ধরতে পারত।

এ দিন ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাইজুল ইসলামকে সীমানাছাড়া করে ক্যারিয়ারের চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরি করলেন কোহলি। ২৩৯ বলে ২০০ রান করতে তিনি হাঁকিয়েছেন ২৪টি বাউন্ডারি। এর আগে মেহেদী মিরাজের বলে এলবিডাব্লিউয়ের আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দিলেও রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান কোহলি। শেষ পর্যন্ত তাইজুলের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি।

এরপর বিপজ্জনক রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে মেহেদী দ্রুত ফেরাতে পারলেও আবারও জুটি গড়েন রবিন্দ্র জাদেজা এবং ঋদ্ধিমান সাহা। উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহাও ভারতের ইনিংসের তৃতীয় সেঞ্চুরিয়ান। তিনি ১৫৩ বলে ৭ চার এবং ২ ছক্কায় এই মাইলফলকে পৌঁছান। শেষ পর্যন্ত ১০৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। যদিও এর আগে মুশফিকের ‘কল্যাণে’ জীবন পান তিনি।  অন্যদিকে ৬৮ বলে ৫০ পূরণ করা রবিন্দ্র জাদেজা ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন। ৬ উইকেটে ৬৮৭ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ভারত।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম। তিনি ৪৭ ওভার বল করে ৩.৩১ গড়ে ১৫৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। এ ছাড়া মেহেদী মিরাজ ২টি এবং তাসকিন ১টি উইকেট নেন।  ভারতের ইনিংসে সেঞ্চুরি হতে পারত আরও দুটি। যদি না পুজারা ৮৩ রানে এবং আজিঙ্কা রাহানে ৮২ রানে আউট না হতেন। এখন এই পাহাড়সম রান তাড়া করতে হলে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের ঠাণ্ডা মাথায় ব্যাট চালাতে হবে। ভীষণ ধৈর্য ধরে দুটো দিন পার করতে হবে। তাহলে যেদিন অন্তত ড্র করা যায় ম্যাচটি।

LEAVE A REPLY